২৫শে বৈশাখ, ১৪৩৩ উপলক্ষে ব্যারাকপুর প্রয়াস নাট্যগোষ্ঠী আয়োজিত “কবি প্রণাম” অনুষ্ঠানটি এক অনন্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় পরিণত হয়েছিল। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর জন্মজয়ন্তীকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান সাহিত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও নাট্যচর্চার এক আবেগঘন মিলনমঞ্চ হয়ে উঠেছিল।

ব্যারাকপুর প্রয়াস নাট্যগোষ্ঠীর মহলায় অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন দলের সমস্ত নাট্যকর্মী ও শিল্পীরা। অনুষ্ঠানজুড়ে রবীন্দ্রনাথের কবিতা, গান ও দর্শনের মধ্য দিয়ে এক গভীর মানবিক ও নান্দনিক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আবৃত্তির প্রতিটি উচ্চারণ, রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রতিটি সুর এবং মঞ্চের প্রতিটি উপস্থাপনা যেন দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল কবিগুরুর চেতনার কাছে।

“যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে”— এই চিরন্তন বাণী অনুষ্ঠানের মূল আবেগ হয়ে উঠে এসেছিল। বর্তমান সময়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের চিন্তা ও মানবিক দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা নতুনভাবে অনুভূত হয়েছিল এই আয়োজনে।

ব্যারাকপুর প্রয়াস নাট্যগোষ্ঠী আবারও প্রমাণ করেছিল যে, নাট্যচর্চার পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতির সামগ্রিক বিকাশেও তারা সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। “কবি প্রণাম” শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান ছিল না, বরং এটি ছিল বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগের এক সুন্দর প্রকাশ।


রণধীর রায়

Comments